খুলনা, বাংলাদেশ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

ঈদগাঁওতে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীন ঐতিহ্য  রেডিও-ক্যাসেট প্লেয়ার বিলুপ্ত

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও 

একসময়ে জনপ্রিয় ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও ছিল গান,নাটক,কৌতুকসহ বিভিন্ন খবরের তথ্য জানার প্রধান উৎস ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। ঈদগাঁওতে আধুনিকতার ছোঁয়ায় তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন-ইন্টারনেটের সহজ লভ্যতার কারণে ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিওর ব্যবহার অনেকটাই বিলুপ্তি পথে।ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও ছিল একটি সময় শহর বা গ্রামে খুবই জনপ্রিয়। আধুনিকতার ছোঁয়া হলেও বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে যন্ত্র দুটি। অনেকের বাসায় ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও থাকলেও এখন আর কেউ যন্ত্রদুটি দিয়ে গান কিংবা অনুষ্ঠান শোনেননা। আগে মানুষ রেডিওর মাধ্যমে বিনোদন, সংবাদ সবকিছুই জানতো৷ আর ক্যাসেট প্লেয়ারের মাধ্যমে  আধুনিক,ছায়াছবি,নাটক,কৌতুকসহ নানান বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান শুনতো৷ কিন্তু টেলিভিশন আবিস্কারের পর এলাকায় ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিওর ব্যবহার কমে গেছে অনেকাংশে। কিন্তু আজ সময়ের ব্যাপ্তিকালে ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও একবারে বিলুপ্ত বললে চলে। তবে এখনো কিছু সংবাদ রেডিওতে শোনা যায়। রেডিওতে শুধু শোনার ব্যবস্থা থাকার কারণে তার গুরুত্বও বেশ ছিল। এক কথায় বলতে গেলে তথ্য জানার জন্যে সকলে কান পেতে থাকত গ্রামের ঘরে ঘরে ছিল রেডিও। এছাড়াও সরকারি উন্নয়ন, পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সংস্কৃতি, আবহাওয়াসহ চলমান বিভিন্ন তথ্যবহুল সংবাদ জানার ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন গান শোনার একমাত্র মাধ্যমই ছিল ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও।জানা যায়, ব্যস্তবহুল ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন স্থানে পূর্বেকার সময়ে আধুনিক ও হিন্দি গানের ক্যাসেট বিক্রির দোকান ছিল। সেখানে বিক্রি হত তৎকালীন নানান ডিজাইনের টাইপ, রেডিওসহ সাউন্ড বক্স। বতমান যুগে সেটির দেখা নেই বাজার এলাকায়। এখন ইন্টারনেট ভিত্তিক ডিজিটাল সিষ্টেম সাউন্ডে সয়লাভ। প্রবীণ মুরব্বি আবদুল গনি জানান, যখন ছোট ছিলাম, তখন গ্রামের প্রায় বাড়িতে রেডিও ছিল। সেখানে সন্ধ্যার পর বসে বিভিন্ন গান, নাটক ও খবর শুনতাম। আর ক্যাসেট প্লেয়ার দিয়ে গান শুনতাম৷ আরও জানান, পূর্বের দিন পেরিয়ে এখন মোবাইল, টেলিভিশন আবিস্কারের কারনে হারিয়ে গেছে ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও। এখন এ দুটি যন্ত্রের কথা খুবই মনে পড়ে। আরেক মুরব্বি মোহাম্মদ আলম জানান, খবরের জন্য একসময় বিবিসি বাংলা রেডিও ছিল অসংখ্য মানুষের ভরসার নাম। সকাল, সন্ধ্যা ও রাতে রেডিও নিয়ে বসে থাকত মানুষ। প্রত্যেকটা চায়ের দোকানে। কিছু কিছু বাড়ীতে ক্যাসেট প্লেয়ার বাজত৷ আধুনিকের এ যুগে এখন আর সেই সোনালী দিন গুলো হারিয়ে গেছে।আবদুল হালিম নামের এক ব্যাক্তি জানান, একসময় ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও ছিল লোকজনের নিত্যদিনের সঙ্গী। দেশের গান, সংবাদ, বিনোদন, চিঠির প্রাপ্তি শিকারের মাধ্যমে শৈশবের রঙিন ও মধুর সময় কেটেছে ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিওর সাথে। বর্তমান মানুষের জীবন ধারায় পরিবর্তন এসেছে। ক্যাসেট ও রেডিও এখন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়। সেসব পুরনো স্মৃতি খুঁজলেও আর পাওয়া যাবেনা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT